
রাজধানীর গুলশান থানার পুলিশ হেফাজত থেকে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি পালিয়ে গেছেন। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ওই আসামির কোন খোঁজ মেলেনি।গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বিষয়টি মর্নিং ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই আসামির নাম খাদিজা আক্তার। তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে ২৩ আগস্ট থানায় একটি চুরির মামলা করা হয়েছিল।
খাদিজা যখন থানা থেকে পালিয়ে যান, তখন তিনি সেখানেই ছিলেন বলে জানান আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে খাদিজাকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা-পুলিশ। অভিযানে পুলিশের সঙ্গে আলমগীরও ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে চুরি হওয়া একটি স্বর্ণের চেইন উদ্ধার হয়। পরদিন রাত সাড়ে আটটার দিকে টয়লেটে যাওয়ার কথা বলেন খাদিজা। তখন থানা ভবনের বাইরের একটি টয়লেটে তাঁকে নিয়ে যান একজন নারী পুলিশ সদস্য। ওই টয়লেটের ভেন্টিলেটরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে পালিয়ে যান খাদিজা।
এজাহারে মামলার বাদী উল্লেখ করেন, তিনি গুলশান-২ এলাকার হুমায়ুন কবির সুজন নামে এক ব্যক্তির বাড়ির ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। ওই বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করছিলেন খাদিজা আক্তার। অসুস্থতার কথা বলে ১৭ আগস্ট তিনি চলে যান। ওই দিনই বাসার আলমারির ড্রয়ার খুলে দেখেন, সেখানে থাকা ৪ ভরি ৪ আনার স্বর্ণালংকার নেই। আরেকটি ড্রয়ারে থাকা এক লাখ ৭৫ হাজার টাকারও কোনো হদিস নেই।
এ ঘটনার পরে বাসার ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১৬ আগস্ট বেলা ৩টা ১২ মিনিট থেকে ৩টা ১৪ মিনিটের মধ্যে ড্রয়ার খুলে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি করেন খাদিজা আক্তার। সিসি টিভি ফুটেজ দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ পারুলের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে।
