
অনলাইন ডেস্কঃ
বঙ্গবন্ধুর হত্যা নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে মামলায় ফুয়াদ জামানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ফুয়াদ জামান বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি কর্নেল রশিদের মেয়ে শেহনাজ রশিদ খানের জামাতা।
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও ফুয়াদ জামানকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট ফুয়াদ ফেসবুকে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করেন।
ফুয়াদ জামান বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি কর্নেল রশিদের মেয়ে শেহনাজ রশিদ খানের জামাতা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত, ২০১৩) এর ৫৭ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করা হয়।
রায় ঘোষণার আগে ফুয়াদকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে ফুয়াদ ফেসবুকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করেন। সেই সঙ্গে আদালতের রায়ে প্রমাণিত হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৪ জুলাই আদালত অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
গত বছরের ৬ জানুয়ারি আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চলাকালীন মোট সাতজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ২০১৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ফুয়াদ জামানকে গ্রেফতার করা হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
বর্বরোচিত ও হত্যাকাণ্ডের দায়ে করা মামলায় দুই দফায় ছয়জনের ফাঁসি কার্যকর হলেও মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া রশিদসহ পাঁচ খুনি এখনো অধরা। আর রশিদের মেয়ে মেহনাজ ২০০৯ সালে তৎকালীন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপসকে হত্যাচেষ্টা মামলার অন্যতম আসামি।
।
