#morningtribune#du#crime

ঢাবিতে তুচ্ছ কারণে সিনিয়রকে মারধর জুনিয়রদের

ঢাবি প্রতিনিধিঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে অডিটরিয়ামের এসির কাটারের নিচে দাঁড়ানো নিয়ে জুনিয়র শিক্ষার্থীর সাথে বাগবিতণ্ডার কারনে মারধরের শিকার হয়েছেন দুই  সিনিয়র শিক্ষার্থী। শনিবার  (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টিএসসিতে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম শেখ ইমরান ইসলাম ইমন। তিনি ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র। ইমন হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের আবসিক শিক্ষার্থী।ভুক্তভোগী আরেকজনের নাম রাফি। তিনি জিয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং ম্যানেজমেন্ট  বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র।

সিনিয়রকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে  তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে মোঃ শাহ আলম। সে ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ছাত্র এবং স্যার এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর জেলায়। আরেকজনের নাম হচ্ছে আবু রায়হান। সে ইসলামিক স্টাডিজ এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়।

ভুক্তভোগী ইমন জানায়, তিনি এসির কাটারের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ করে অভিযুক্তদের একজন এসে থাকে ধাক্কা মারে,কাটারের নিচ থেকে সরে যেতে বলে এবং গালাগালি করে। তখন ইমন থাকে ভদ্রতার সাথে কথা বলতে বললে তখন রায়হান তার উগ্র বন্ধু বান্ধবকে নিয়ে ইমনের উপর চড়াও হয় তখন রাফি তাদের থামতে বললে তার উপরও চড়াও হয়। তারপর  তাদের  টেনে হেঁচড়ে টিএসসির মাঠে নিয়ে মারধর করে মুখ বরাবর লাথি মারতে থাকে। তখন আশেপাশে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ধার করে। তখন উপস্থিত অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া শাহ্‌ আলমকে আটক করে প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করেন।

ইমন আরও জানান যে  তিনি  তার বাম কানে ঠিকমত শুনতে পারছেন না এবং তার বাম হাত মচকে গেছে।মুখে লাথি দেওয়ার কারনে তার ঠোঁটও  ফেটে গিয়েছে। রাফিরও কানের পর্দা ফেটে গেছে। সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মারধরের কারনে।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত শাহ্‌ আলম জানায়,তারা জানত না মারধরের শিকার দু’জন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

আবু রায়হান সম্পর্কে জানা যায়, সে খুবই উগ্র স্বভাবের।প্রায়ই মারামারি সাথে যুক্ত থাকে  সে। আবু রায়হানকে ঘটনার সময় আহতদের মুখ বরাবর লাথি মারতে দেখা যায়।

শাহবাগ থানার ওসি(তদন্ত)নূর মোহাম্মদ মর্নিং ট্রিবিউনকে জানান,প্রক্টর স্যার অপরাধীদের নিজের জিম্মায় নিয়েছেন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন।

প্রক্টর অফিস থেকে আহতদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে তারপর অভিযুক্তদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মারধরের সাথে জড়িত বাকি অপরাধীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.